সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সর্বশেষ সংবাদঃ
ডাসারে গ্রাম আদালত বিষয়ক বার্ষিক ক্যাম্পেইন ও ভিডিও শো অনুষ্ঠিত এবার ফরিদপুর-১ আসনেরও দায়িত্ব পেলেন হেলেন জেরিন খান মাদারীপুরে থানা ঘেরাও করে হত্যা মামলার ২ আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৭ ডাসারে অপসংবাদিকতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল শহরের শকুনি লেকের সৌন্দর্য ফেরাতে উচ্ছেদ যৌথ অভিযান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা মাদারীপুরে বাস চাপায় শিশুর মৃত্যু, মহাসড়ক অবরোধ পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশ গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে বিএনপি সরকার- এমপি খোকন তালুকদার মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের নগদ দশ লাখ টাকা অসহায় পরিবারের মাঝে প্রদান ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কে বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহত ৫ মাদারীপুরে অজ্ঞান পার্টির ৩ সদস্য গ্রেফতার মাদারীপুর জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত ‘নারী হুইপ’ হিসেবে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন হেলেন জেরিন খান : আনন্দে ভাসছে মাদারীপুরের তৃণমূল নেতাকর্মী বাংলা সাহিত্য একাডেমি `মাদারীপুর সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত মাদারীপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত রাজৈরে পাওনা টাকা নিয়ে মারধর, একজনের মৃত্যু নতুন কুড়ি ২০২৬ (মাদারীপুর) ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হাকিমের বাবার দাফন সম্পন্ন আওয়ামীলীগ নেতা শফিক খান ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের আসাদুজ্জামান লিটন আটক
Notice :
বিজ্ঞপ্তি : পাঠক প্রিয় পত্রিকা দৈনিক আলোকিত সময় এর জন্য সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কিছু সংখ্যক সংবাদকর্মী আবশ্যক। 01307520775 হোয়াটসঅ্যাপ

সাপাহারে গরীবে নেওয়াজ নার্সিং হোম ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনোষ্টিক সেন্টারের নানাবিধ অনিয়ম পর্ব-১

প্রতিবেদকের নাম / ২৮৯ সময়ঃ
নিউজ আপঃ মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২০, ৪:২২ অপরাহ্ণ

আবু বক্কার,সাপাহার নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহারে অবস্থিত গরীবে নেওয়াজ নার্সিং হোম, ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনোষ্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে নানাবধি অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুযায়ী জানা গেছে, উপজেলা সদরের হাসপাতাল রোডে অবস্থিত গরীবে নেওয়াজ নার্সিং হোম কিèনিক এন্ড ডায়াগনোষ্টিক সেন্টার। এই ক্লিনিকের মালিক ডাঃ নুর মোহাম্মদ নুরু। দীর্ঘদিন আগে তিনি সাপাহারে এসে গার্লস স্কুল সংলগ্ন একটি বিল্ডিংয়ে তার ক্লিনিক ব্যাবসা চালু করেন। পরবর্তী সময়ে নিজের আচার আচরণের জন্য স্থানীয় লোকজনের চোখে একজন অপছন্দনীয় ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেন। সেসময় থেকে তার নানারকম অনিয়মের অভিযোগ তোলেন স্থানীয় লোকজন সহ ভুক্তভুগীরা। আজো পর্যন্ত সে ডাক্তার কোথা থেকে এসেছে , তার বাড়ী কোথায় সে নিয়ে নানা প্রশ্ন জনমনে রয়েই গেছে। ওই সময় স্থানীয় দুইজন ভালো মাপের সাংবাদিক তার অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহের জন্য গেলে তাদেরকে ফাঁসিয়ে থানায় একটি চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করে ওই ডাক্তার । পরে তিনি চাঁদাবাজি প্রমান না করতে পয়ে থানায় অপমানিত হন। তার ক্লিনিকে গ্রাম থেকে গরীব অসহায় মেয়েদের নিয়ে এসে নার্স বলে চালিয়ে নিতেন ডাক্তার নূরু। কিন্তু সে মেয়েগুলো কেউ কেউ স্কুলের বারান্দা পর্যন্ত মাড়ায়নি বলে জানান একটি গোপন সূত্র। যত্র তত্র ভাবে নিজেই অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে কোন রকম অপারেশন শেষ করে ডাক্তার নুরু। তার পর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কোন নার্স ছাড়াই অশিক্ষিত , অর্ধ শিক্ষিত মেয়েদের দিয়ে সেবা চলতো ক্লিনিকের রোগীদের। যেখানে একজন স্বীকৃত অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার দিয়ে অজ্ঞান ম্যানেজ করার কথা সেখানে নুরু কোন শক্তিতে একাই রোগীদের জীবন নিয়ে খেলা করছেন এমনটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।
এছাড়াও রোগীদের নিকট উচ্চ মূল্য ছাড়া অপারেশন করেননা ডাক্তার নূরু। এমনকি স্বল্প মূল্যের ঔষধ দিয়ে কোন রকম বেডে রেখে পরে ছাড়পত্রে লেখেন উচ্চ ও নামকরা কোম্পানীর দামী ঔষধ। অপারেশন পরবর্তী সময়ে রোগীকে একটি এমোক্সাসিলিন , একটি ডাই ক্লোফেনাক, একটি ওরট্যাক বা নিওট্যাক ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় রোগীদের । পরবর্তী সময়ে খাবার জন্য ওই একই গ্রুপের ঔষধ দেওয়া হয় বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু রোগীর লোকজন।
বর্তমানে একটি স্বীকৃত ক্লিনিকে ৩জন সার্বক্ষনিক ডাক্তার, ১ জন অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার, ৩ জন ডিপ্লোমা নার্স, ২ জন সহকারী নার্স, ৩ জন আয়া, ৩ জন সুইপার, ৩ জন ওয়ার্ডবয়, একজন ম্যানেজার থাকার কথা থাকলেও নূর মোহাম্মদ ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী ছাড়া একটি কাকপক্ষীও নেই ওই ক্লিনিকে বলে জানা গেছে। কাগজ কলমে নার্স ডাক্তার থাকলেও বাস্তবে তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে চালাচ্ছেন অপারেশন ও রোগীর সেবাদানের কাজ। এভাবে ক্লিনিকে জনবল সংকট থাকলে রোগীর বেহাল দশা এমনকি মৃত্যু হতে পারে বলছনে বিশেষজ্ঞরা। যা এর পূর্বে ওই ক্লিনিকে ঘটেছে। তার অপকর্মের কোন কথা কেউ বলতে গেলেই তাদেরকে কোন এক অপশক্তির ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখেন ওই ডাক্তার।
এছাড়াও প্যাথলজি, আলট্রাসনোগ্রাফী ও এক্সরে মেশিন একাই চালান ডাক্তার নুর মোহাম্মদ। এছাড়াও প্যাথলজি, এক্সরে ও আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন একাই চালান ডাক্তার নুরু। এ বিষয়ে ধারাবাহিক সংবাদ থাকছে দ্বিতীয় পর্বে।
এ বিষয়ে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ রুহুল আমিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, “গরীবে নেওয়াজ ক্লিনিকের ডাক্তারের কাগজপত্রাদি ঠিক আছে। তবে আমরা একদিন অভিযান পরিচালনা করতে তার ক্লিনিকে গেলে সেখানে কোন নার্স বা অন্য কাউকে পাওয়া যায়নি”।

Facebook Comments Box


এই বিভাগের আরও খবর

জেনে নিন এক ক্লিকে বিভাগের সবখবর