বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সর্বশেষ সংবাদঃ
গ্রাম আদালতের সুফল শতভাগ মাঠ পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে- জেলা প্রশাসক মিজৃ মর্জিনা আক্তার ইসলামী আন্দোলন নেতার বিরুদ্ধে সরকারী চাল পাচারের অভিযোগ : ৪২২ বস্তা চালবোঝাই ট্রাক জব্দ শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদার সম্পাদক নুরুল আমীন রবীন “সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ” জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন: পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে বক্তারা : অপরাধ দমনে সকল সরকারি দপ্তর একটা টিম ওয়ার্ক হিসেবে কাজ করতে চাই ’ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধির লক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়  ঐতিহ্য ও বিশ্বাসে ৩০০ বছরের চড়ক গাছ খেলা সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন দক্ষিনবঙ্গের অগ্নিকন্যা হেলেন জেরিন খান হেলেন জেরিন খান এমপি মনোনীত হওয়ায় নেতাকর্মীদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার দেশজুড়ে হামের টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল ফোঁড়ার চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু, বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুর বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন এখন কেউ আমাকে বলবে না, মা তুমি খাইছো আগুন থেকে বাঁচতে লাফ দিয়ে পিষ্ট চাকায় সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন হেলেন জেরিন খান মোবাইলে মনোমালিন্য : প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত সংরক্ষিত নারী আসন : প্রথম দিনেই বিএনপির ৬০০ মনোনয়ন ফরম বিক্রি সংরক্ষিত নারী আসনে ত্যাগীদের এগিয়ে রাখতে চায় বিএনপি, চূড়ান্ত তালিকা শিগগিরই পুলিশের মাস্টার প্যারেড, মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত
Notice :
বিজ্ঞপ্তি : পাঠক প্রিয় পত্রিকা দৈনিক আলোকিত সময় এর জন্য সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কিছু সংখ্যক সংবাদকর্মী আবশ্যক। 01307520775 হোয়াটসঅ্যাপ

ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণে ১০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ আসছে

প্রতিবেদকের নাম / ২১৬ সময়ঃ
নিউজ আপঃ রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০, ৬:২৯ অপরাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্টঃ করোনাভাইরাসের সেকেন্ড ওয়েভে সম্ভাব্য ধাক্কা সামলাতে আরো একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা হতে পারে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ একটি নীতিমালা তৈরির কাজ করছে বলে জানা গেছে। আর এ আকার ১০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে ১ লাখ ২১ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রণালয় আয়োজিত তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। এসময় পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান আরো একটি প্যাকেজ ঘোষণার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে ছিলেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, করোনার সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবেলায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে আরো একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হতে পারে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন।

এ বিষয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ একটি সভা করে। ওই সভায় প্রণোদনা প্যাকেজের নীতিমালা কেমন হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আগের প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় বিতরণকৃত ঋণের সুদের হার অনেকটা নমনীয় ছিল। তবে এবারের সুদের হার সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হতে পারে। এই প্যাকেজের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা।

তিনি বলেন, করোনার প্রভাব মোকাবিলায় দেশের কুটির, ক্ষুদ্র ও ছোট উদ্যোক্তাদের (সিএমএসএমই) দ্রুত প্রণোদনা ঋণ দিতে এ প্যাকেজটি তৈরি করা হচ্ছে। এ জন্য ঋণ নীতিমালাও প্রায় চূড়ান্ত। এ খাতে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ঋণ পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন।

জানা গেছে, ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে শুধু চলতি মূলধন খাতে এ প্রণোদনা ঋণ দেওয়া হবে। এ ঋণের সর্বোচ্চ সুদের হার হবে বছরে ১৪ শতাংশ। তবে গ্রাহক পর্যায়ে ঋণগ্রহীতাদের জন্য ৯ শতাংশ সুদ প্রযোজ্য হবে। অবশিষ্ট ৫ শতাংশ সুদ ভর্তুকি হিসেবে সরকার দেবে। তহবিলের মেয়াদ পাঁচ বছর। তবে সরকার সুদ ভর্তুকি দেবে এক বছর পর্যন্ত।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক দশমিক ৫ শতাংশ সুদে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়ন করবে এবং অন্য দিকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ২ দশমিক ৫ শতাংশ সুদে এমএফআইগুলোকে অর্থায়ন করবে।

এমএফআই প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বিদ্যমান ঋণ স্থিতির সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রণোদনা ঋণ তহবিলের আওতায় ঋণ নিতে পারবে। একটি ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ তিনটি ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিতে পারবে, তবে মোট গৃহীত ঋণ নির্ধারিত ঋণসীমার মধ্যে থাকতে হবে।

গৃহীত ঋণের ন্যূনতম মেয়াদ হবে দুই বছর। ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহক পর্যায়ে তাদের মোট প্রদেয় ঋণের ৪৫ শতাংশ ট্রেডিং খাতে এবং ৫৫ শতাংশ উৎপাদন ও সেবা খাতে বিতরণ করতে পারবে। বিতরণকৃত ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে গ্রাহক পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রাখতে হবে।

তবে ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে গ্রাহক নির্বাচন, ঋণ বিতরণ সংশ্লিষ্ট ব্যয়, গ্রেস পিরিয়ড, ঋণের কিস্তি, ঋণ আদায়, ঋণ শ্রেণিকরণ ও মনিটরিং ইত্যাদি বিষয় ‘এমআরএ’ ও ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রস্তাবিত নীতিমালায় বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box


এই বিভাগের আরও খবর

জেনে নিন এক ক্লিকে বিভাগের সবখবর